আচ্ছা আমার একটা প্রশ্নের জবাব দেবে, ভালবাসার অনুভূতিগুলি বারবার অধরা থেকে যায় ক্যানো?
কি কারণ বললে তুমি খুশী হবে?
আমাকে খুশী করার জন্যে না, আসল কারণটাই বলো।
হয়তো কপালের লেখন ননরিমুভেবল পেন দিয়ে লেখা হয় তাই।
মজা করছো?
নাহ, সত্যি কথাটাই মজাদার করে বলছি।
তা বটে, এতদিন আমি যে কথাগুলো মনে মনে বলতাম আজ তুমি সে একই কথা মুখে বলছো।
তারমানে তুমি অদৃষ্টকে দুষে আসছো এতদিন? তোমার কি কোন ভুল ছিল না?
নিজের চেয়ে অদৃষ্টকে দোষ দিয়ে মনকে একটু সান্ত্বনা দিতে পারি।
অদৃষ্টের লেখন পরিবর্তন করতে ইচ্ছে করে না তোমার?
এটা হল অদৃষ্টের ননরিমুভেবল লেখন, চাইলেই কি পরিবর্তন করা যায়?
আচ্ছা, ভালোবাসার অনুভূতি তোমার কাছে কি?
রোমাঞ্চকর শিহরণ, চারিদিকে বসন্ত, আর হাওয়ায় ভাসতে থাকা আমি।
শুনতে বেশ ফিল্মি।
ফিল্ম কি মানুষের জীবনের চেয়ে আলাদা?
নাহ, তবে বাস্তব ফিল্ম থেকে আলাদা। যাকগে, খুব ঘুম পাচ্ছে, ঘুমাতে চললাম।
ক্যানো, এত তাড়া কিসের? স্বপ্ন দেখবে নাকি?
হুমম, শুধু স্বপ্ন না ম্যাডাম, সুখের স্বপ্ন। এই সুখের স্বপ্নই আমার বাস্তবকে বাঁচিয়ে রাখে, আমায় কবিতা লেখায়।
স্বপ্ন দেখার আগে আমায় একটু ভালোবাসবে? কাল এ ভালোবাসা নিয়ে একটা কবিতা লিখো।
লোভ দ্যাখাচ্ছো?
আমি কি লোভনীয় নই?
দ্যাখো, আমি লোভী নই, খানিকটা ভালোবাসার বুভুক্ষু।
চলো, আমিও ক্ষুধার্ত, তারপর নাহয় একসাথে স্বপ্ন দেখবো।
এতটাও ভালোবাসতে চেয়ো না।
ক্যানো, তোমার লেখনীতে সঞ্জীবনী আসুক তা কি চাও না?
অপূর্ণতা আর না পাওয়াতেই আমার লেখনী সঞ্জীবিত।
হাসি পাচ্ছে আমার।
তো হাসো, বাধা কিসের?
তুমি কি ভালোবাসতে অক্ষম?
এবার কিন্তু আমার খুব হাসি পেলো।
ক্যানো, কী এমন ভুল জিজ্ঞেস করলাম আমি?
ভুল জিজ্ঞেস করেছো তা তো বলিনি আমি।
তাহলে হাসলে যে?
সরি, আচ্ছা যাও আর হাসবো না।
ভালোবাসায় কোনো জয়-পরাজয় নেই, আর তাই আমি ভিখারিনীর মতো তোমায় ভালোবাসা নিবেদন করছি।
আরে আমিও তো কাঙাল, আমার সাধ্য কোথায় বলো?
এভাবে ভালোবাসাকে কেউ দূরে ঠেলে দেয়, আমার জানা ছিলো না।
ভালোবাসার অভাব অনুভব করতেই আমি ভালোবাসি।
এই দুঃখবিলাস নিয়ে লেখনীর মুখ ফুটবে না শুনে রাখো।
আমায় ক্ষমা করতে পারবে?
ক্যানো ক্ষমা চাইছো জানতে চাই না। ভেবেছিলাম আমার মনটাও তোমার মতন স্বপ্নবিলাসী হয়ে উঠবে একটু ভালোবাসার ছোঁয়ায়।
কাঙাল কি কখনো দিতে জানে?
এই ভিখারিনী চাইছে আজ এই কাঙালকে ভালোবাসতে।
ঠিক আছে চলো আজ ভালোবাসার অধরা অনুভূতিগুলোকে একটু অনুভব করার চেষ্টা করি।।